রৌমারীতে ইড়ি-বোরো চাষে ব্যাস্ত কৃষক

আপডেটঃ ৪:৫৮ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮

মোস্তাফিজুর রহমান তারা, রৌমারী (কুড়িগ্রাম)সংবাদদাতাঃ রৌমারীতে ইড়ি-বোরো চাষে ব্যাস্ত কৃষক। বর্তমানে এ লের মানুষের প্রধান ফসল ইড়ি-বোরো।উপজেলায় প্রায় ৩লাখ মানুষের বসবাস। ফসলী জমির পরিমান পরিসংখ্যানের জরিপ অনুযায়ী ১৯ হাজার হেক্টর। যেমন গোয়ালের গরু খাতায় আছে গোয়ালে নেই। প্রায় ৪ যুগ ধরে নদী ভাঙ্গনে ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যার পরিমান দ্বাড়িয়েছে ১২ হাজার হেক্টর। রৌমারী উপজেলাটি ১৫টি নদ-নদী দ্বাড়া পরিবেষ্টিত চরা লীয় উপজেলা।
তাই স্বল্প পরিমান জমি উচ্চ ফলনশীল জাতের ইড়ি-বোরো চাষে নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যাস্ত কৃষক। রৌমারী উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানাযায়, এবছর রৌমারীতে প্রায় সারে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইড়ি-বোরো চাষ করা হয়েছে।
অপরদিকে নদী ভাঙ্গন ও জমিতে বালি পড়ায় লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত হয়নি। সরেজমিন ঘুরে জানাযায়, গোওয়াল গ্রামের বাহাদুর, ইজলামারীর মোহাম্মদ আলি, কড়াই কান্দির কদম আলী, মির্জাপাড়ার আব্দুস সবুর , ইচাকুড়ির আবু তাহের বলেন, কয়েক বছর থেকে বানের পানিতে রোপা আমন ধান নষ্ট হওয়ায় এঅ লের কৃষক ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থ্য হয়েছে।
একমাত্র ইড়ি-বোরোই ভরসা। আমরা কৃষক মানুষ জমি চষে ফসল ফলানোই আমাদের কাজ। সরকার চাকুরী জীবিদের প্রতিবছর বেতন ভাতা বৃদ্ধি করলেও কৃষকের বেলায় যেন বৈরীতা ভাব। সার, তেল ও বিদ্যুৎ এর উচ্চ মূল্য যেন দিশে হারা করেছে। অতিকষ্টে পোলাপান নিয়া খেয়ে না খেয়ে ঁেবচে থাকতে হয়। এমন কথা বলতে-বলতে তারা ঁেকদে ফেলেন। আমাদের দেশ কৃষি নির্ভরশীল, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।
তাই কৃষকের উৎপাদনে সরকারের শতভাগ সহায়তা আবশ্যক বলে তারা মনে করেন।