মুরাদনগরে ইউএনও‘র কৌশলের জালে ধরা পরলো প্রশ্ন ফাস কারী

আপডেটঃ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর(কুমিল্লা) প্রতিনিধি:বর্তমান সময়ের কয়েকটি মহামারি সমস্যার একটি হচ্ছে প্রশ্নপত্র ফাস হয়ে যাওয়া। যার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকেও কম কথা শুনতে হয়নি। পদত্যাগের কথাও ওঠে এসেছে মহান জাতিয় সংসদে। ঘোষনা করা হয়েছে পুরষ্কারও। ভালো কোন ফলাফল না পেলেও সেই প্রশ্নপত্র ফাস কারী চক্রের এক সদস্য ধরা পরলো কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কৌশলের জালে।
মঙ্গলবার সকাল ৯.৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ছদ্দবেশ অবলম্বন করে রামচন্দ্রপুর রামকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাশ থেকে প্রশ্নপত্র ও সমাধানসহ খাইরুল ইসলাম (২১) নামের এক প্রশ্ন ফাস কারীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ রায়হান মেহেবুব।
পরে তাকে বাঙ্গরা বাজার থানার এস আই রিদুয়ানুল হক ও এএস আই শাহাদাত হোসেনের সহযোগীতায় মুরাদনগর উপজেলায় এনে ২ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিতু মরিয়ম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ রায় প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম ঘটনার সত্যতা সিকার করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই প্রশ্ন ফাসকারীর তথ্য জানতে পেরে ছদ্দ বেশীয় কৌশল অবলম্বন করে তাকে ধরা হয়েছে।
খাইরুল ইসলাম উপজেলার কামাল্লা ইউপির নোয়াগাঁও গ্রামের তারিকুল ইসলামের ছেলে।