বেশিরভাগ কিশোরী রক্তস্বল্পতাজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

আপডেটঃ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ | জানুয়ারি ০৯, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক :বাংলাদেশে বেশিরভাগ কিশোরী রক্তস্বল্পতাজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রথম ঋতুর পর কিশোরীদের রক্তস্বল্পতার হার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। ১২-১৯ বছরের অবিবাহিত ও বিবাহিত মেয়েদের মধ্যে রক্তস্বল্পতার হার ৩৫ শতাংশ।

সোমবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে প্রকাশিত এডোহার্টস বেইজলাইন সার্ভের ফলাফলে এসব তথ্য জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ এডোহার্টস প্রকল্পভুক্ত চারটি জেলায় এ জরিপ পরিচালনা করে। জরিপে ১৪৭৪ জন কিশোরী, ১২৩২ জন বিবাহিত মেয়ে, ১৫০৩ জন অবিবাহিত ছেলে ও ৮০৮ জন মায়ের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

জরিপের ফলাফলে জানা যায়, ১৫ থেকে তদুর্ধ বয়সের কিশোর-কিশোরীদের প্রায় অর্ধেকই অপুষ্টিতে ভুগছে। স্বাস্থ্যসেবার জন্য কিশোর-কিশোরীরা সরকারি সেবাকেন্দ্র কম ব্যবহার করে। এছাড়া কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য সরকারি সেবাকেন্দ্রসমূহের প্রস্তুতির অভাব রয়েছে। এ জরিপের তথ্যের আলোকে এডোহার্টস প্রকল্পভূক্ত এলাকায় সরকারি সেবাকেন্দ্রগুলোকে ঢেলে সাজানো হবে এবং কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রবর্তন করা হবে। ২০২০ সালে প্রকল্প মেয়াদ শেষে এডোহার্টস-এর সফলতা মূল্যায়ন করা হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেনটিভ এন্ড সোশ্যাল মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক সৈয়দ শরিফুল ইসলাম- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারওয়ার।

সেমিনারে  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডাইরেক্টর (এমএনসিএএইচ) ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের লাইন ডাইরেক্টর (এমসিআরএএইচ) ডা. মোহাম্মদ শরীফ, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের প্রথম সচিব মিজ অ্যানি ভেস্টজেনস এবং ইউনিসেফের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান মিজ মায়া ভ্যানডেনেন্ট।