সাংবাদিকদের অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে : গওহর রিজভী

আপডেটঃ ২:৩৬ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৭, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশে গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। সরকার তাতে কখনও হস্তক্ষেপ করে না। কিছু ব্যক্তি বিশেষ তাদের নিজেদের স্বার্থে নানাভাবে সাংবাদিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর আঘাত হানছে।

আজ বৃহস্পতিবার ট্রান্সপাারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত ১৯তম দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ক সংলাপ ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০১৭’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.গওহর রিজভী।

গওহর রিজভী বলেন, দারিদ্র্য নিরসন করতে হলে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সমাজের অনিয়ম-দুর্নীতি চিহ্নিত করতে সহায়তা করে থাকে।

অনুষ্ঠানে টিআইবির পক্ষ থেকে প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার ক্যামারাম্যান সহ মোট ৯ জনকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও রিপোর্টারদের এক লাখ টাকা ও ক্যামেরাম্যানদের ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক মো. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ১৯৯৯ সাল থেকে টিআইবি সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন নির্বাচন করে পুরস্কার দিয়ে আসছে। তার ধারাবাহিকতায় এবারও তিন ক্যাটাগরিতে সেরা ৯ জনকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেরা প্রতিবেদন নির্বাচনে এবার দুইজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও দুজন সিনিয়র সাংবাদিকদের সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়। টিআইবিতে জমা হওয়া ৬৪টি প্রতিবেদনের মধ্যে কমিটির সদস্যরা মোট ৯টি সেবা প্রতিবেদন নির্বাচন করেন।

তিনি বলেন, দেশের দুনীতি-অনিয়মের সার্বিক চিত্র উঠে আসতে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উৎসাহী হতে হবে। সাংবাদিকদের এ বিষয়ে উৎসাহী, আগ্রহী ও পারদর্শী করতে টিআইবি প্রশিক্ষণ, ফেলোশিপ ও নানা পুরস্কারে সম্মানিত করে আসছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- টিআইবির ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য ড. এ টি এম শাসসুল হুদা, মো. হাফিজ প্রমুখ।