পাখির বাসায় পাঁচ তারকা হোটেল

আপডেটঃ ৩:২৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১২, ২০১৭

সি এন এ নিউজ,ডেস্ক:বাড়ির চারপাশে গাছের ডালে বা ঝোঁপর ভেতর আমরা যে ধরনের পাখির বাসা দেখি সেগুলো নান্দনিক হলেও সেখানে বিত্ত-বৈভবের চিহ্ন থাকে না। অতি কষ্টে পরম যত্নে বানানো এসব বাসায় পাখিরা রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে বসবাস করে।

কিন্তু যদি কোনো পাখির বাসা হয় বিলাস বহুল পাঁচ তারকা হোটেলের আদলে গড়া তবে তা মানুষকে অবাক করার জন্য যথেষ্ট। এমন কিছু বিলাস বহুল পাখির বাসার সন্ধান পাওয়া গেছে কেনিয়ার লাইকিপিয়া মালভূমিতে।

তবে দেখতে পাখির বাসা হলেও এটি আসলে মানুষের বাসা। অর্থাৎ পাঁচ তারকা হোটেলের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত পাখির বাসার আদলে এই হোটেল বানানো হয়েছে কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলের লাইকিপিয়া মালভূমির সাফারি পার্কে পর্যটকদের রাত কাটানোর জন্য।  একেবারে স্থানীয় পর্যায়ে প্রাপ্ত গাছের ডাল ও কৃষি উপকরণ দিয়ে এই বাসা এমনভাবে বানানো হয়েছে যেন সাফারি পার্কে ভ্রমণরত পর্যটকেরা পাখির মতো করে উঁচুতে বসে চারপাশের হাতি, জিরাফ এবং অন্যান্য পশুপাখির বিচরণ দেখতে পারেন।

চার সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের থাকার জন্য বাসাগুলোতে রয়েছে লাগোয়া বাথরুম, গরম বা ঠাণ্ডা জলের সুবিধা, সৌর বিদ্যুৎ, শ্যাম্পেইনসহ পর্যটকদের পছন্দসই নানা পদের খাবারের ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এই বাসায় থাকার জন্য পর্যটকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখে যাচ্ছে। তবে বিলাস বহুল এই পাখির বাসায় রাত কাটাতে গেলে আপনাকে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হবে। প্রতি রাতের জন্য প্রতিটি বাসার ভাড়া আটশ বাহাত্তর পাউন্ড যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় পঁচানব্বই হাজার টাকা!

:বাড়ির চারপাশে গাছের ডালে বা ঝোঁপর ভেতর আমরা যে ধরনের পাখির বাসা দেখি সেগুলো নান্দনিক হলেও সেখানে বিত্ত-বৈভবের চিহ্ন থাকে না। অতি কষ্টে পরম যত্নে বানানো এসব বাসায় পাখিরা রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপেক্ষা করে বসবাস করে।

কিন্তু যদি কোনো পাখির বাসা হয় বিলাস বহুল পাঁচ তারকা হোটেলের আদলে গড়া তবে তা মানুষকে অবাক করার জন্য যথেষ্ট। এমন কিছু বিলাস বহুল পাখির বাসার সন্ধান পাওয়া গেছে কেনিয়ার লাইকিপিয়া মালভূমিতে।

তবে দেখতে পাখির বাসা হলেও এটি আসলে মানুষের বাসা। অর্থাৎ পাঁচ তারকা হোটেলের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত পাখির বাসার আদলে এই হোটেল বানানো হয়েছে কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলের লাইকিপিয়া মালভূমির সাফারি পার্কে পর্যটকদের রাত কাটানোর জন্য।  একেবারে স্থানীয় পর্যায়ে প্রাপ্ত গাছের ডাল ও কৃষি উপকরণ দিয়ে এই বাসা এমনভাবে বানানো হয়েছে যেন সাফারি পার্কে ভ্রমণরত পর্যটকেরা পাখির মতো করে উঁচুতে বসে চারপাশের হাতি, জিরাফ এবং অন্যান্য পশুপাখির বিচরণ দেখতে পারেন।

চার সদস্যবিশিষ্ট পরিবারের থাকার জন্য বাসাগুলোতে রয়েছে লাগোয়া বাথরুম, গরম বা ঠাণ্ডা জলের সুবিধা, সৌর বিদ্যুৎ, শ্যাম্পেইনসহ পর্যটকদের পছন্দসই নানা পদের খাবারের ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এই বাসায় থাকার জন্য পর্যটকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখে যাচ্ছে। তবে বিলাস বহুল এই পাখির বাসায় রাত কাটাতে গেলে আপনাকে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হবে। প্রতি রাতের জন্য প্রতিটি বাসার ভাড়া আটশ বাহাত্তর পাউন্ড যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় পঁচানব্বই হাজার টাকা!