জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে উন্নয়নের বাঁধা ও গণসচেতনতা জরুরী

আপডেটঃ ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ০৭, ২০১৭

মোনায়েম খান ,সি এন এ নিউজ ,নেত্রকোনা:আজ সারা বিশ্ব বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে। হাটি হাটি পা পা করে ।এদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আয়তনের অনুপাতে জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়াতে এদেশের উন্নয়ন গন্তব্যস্থলে পৌছতে কয়েক যোগ সময় লেগে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এই জন্য দরকার স্তায়ী সমাধান আজ দেশে লক্ষ লক্ষ মাঠ কর্মী ও স্বাহ্য কর্মী হিসাবে কাজে নিয়জিত থাকার পরও কেন জন্ম নিয়ন্ত্রন প্রদ্ধতী কাজে আসছেনা। এইজন্য সরকারের পদক্ষেপ নেয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। আজ শহর থেকে গ্রাম গঞ্জে অনেক পরিবারে তিন থেকে চার সন্তান নিয়ে বসবাস করছে। এই পরিবারগুলোকে সু পরামর্শ দেয়ার জন্য তাদের কাছে সরকারী ভাবে কোন কর্মী বা কর্মকর্তা যায়নী বলে এমন শত শত অভিযোগ রয়েছে। তাহলে সরকারী কর্মচারী হয়ে তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই ? অনেক পরিবারে লোক সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে আয়কৃত টাকার পরিমানে ব্যায় বেশি হয়ে গেছে। এমন পরিবারের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার যে কারনে শিক্ষা স্বাস্থ্য সহ নানা অসুবিধায় পড়েছে পরিবার গুলো। একটি জরিপে দেখা গেছে। নেত্রকোনায় সচেতন ও স¦চ্ছল পরিবারের প্রায় ১০ হাজার পরিবারে ৩ থেকে ৪টি ছেলে মেয়ে রয়েছে। ৬৪ জেলার মধ্যে নেত্রকোনা জেলার আয়তন ২৮৪১.৩৯ বর্গকিলোমিটার এবং ২০১৭ সালের জনসংখ্যা ২৩,৪০,৩৭৯ জন। উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন সংখ্যা ৮৬ টি, এরমধ্যে ৬-১১ মাসের শিশুর সংখ্যা ৩৪,২৩৩ জন এছাড়া ১২-৫৯ মাসের শিশুর সংখ্যা ২,৯৯,৮৭০ জন,এভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে জনসংখ্যা। তাহলে সারাদেশে কত কোটি শিশু রয়েছে। তাছাড়া নেত্রকোনা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য মতে সরকারী কর্মচারীর মধ্যে (১ )স্বাস্থ্য পরিদর্শক ২৭ জন,(২) সহস্বাস্থ্য পরিদর্শক ৮১ জনের মধ্যে ৩১ জন (৩) স্বস্থ্য সহকারী ৩৯৬ জনের মধ্যে ৩৪২জন এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর তথ্য মতে (৪) মাঠকর্মী থাকার কথা ৪৩৯ জন, আছে ৩৪৮ জন (৫) ফার্মাসিস্ট থাকার কথা ৫৮ জন এরমধ্যে আছে ৭ জন, (৬) উপ সহকারী কমেনিটি মেঃ অফিসার থাকার কথা ৫৮জন, আছে ২৩ জন (৭)পরিবার কল্যান পরিদর্র্র্শিকা থাকার কথা ১১৯ জন আছে ৭৬ জন এই পদ গুলো শুণ্য থাকার কারনে সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যে জেলা কর্মকর্তাদের অভিযোগ জামালপুর কিশোরগঞ্জ টাঙ্গাইল এই তিন জেলার কর্মচারীরা নেত্রকোনায় এসে দুই তিন মাস থাকার পর মন্ত্রনালয়ের তদবিরে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যায়। বিশেষ করে টেকনোলজিক্যাল কার্যক্রমে কর্মচারীদের অভাব এর জন্য সেবাদান কার্যক্রম মারাত্তক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে জেলার ৯ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গুলোতে ২ থেকে ৩ জন করে মেঃ অফিসার রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এই হল নেত্রকোনা জেলার চিত্র তাহলে এর সমাধান কি? হা আছে তা হল জরুরী বিত্তিতে মেঃ অফিসার ও স্বাস্থ্য কর্মি এবং মাঠকর্মী নিয়োগ দিয়ে জনবল বাড়াতে হবে। পাশাপাশি কাজে অবহেলার জন্য চাকুরী থেকে বরকাস্থ করতে হবে। চাকুরীর বয়স সিমা কমিয়ে আন্তে হবে। আগাম নিয়োগ দিয়ে কর্মট স্বাস্থ্য কর্মী ও মাঠকর্মী তৈয়ার করতে হবে ? একজন অলসকে বাদ দিয়ে একজন স্মার্ট কর্মচারীর নিয়োগ দিতে হবে। এর মধ্যে নেত্রকোনায় দেখা গেছে ২০১৭ সালের ৫ আগস্ট জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারী জনবলের অভাবে সমাধার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এর সমন্বয়ে ৪৫২৮ জন স্বেচ্ছাসেবকদের ওরিয়েন্টেশন দিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এভাবে স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়না যা সম্পুন্য বে আইনী। স্বাস্থ্য সেবায় জনবল নিয়োগ দেয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। মনে রাখবেন দুষ্টের সংখ্যা অনেক বেড়েছে এরা ভাল মানুষ ও ভাল কাজের মূল্যায়ণ করেনা। এরা টাকার জন্য অলসদের পক্ষে তদবির করে এদের কথা শুনবেননা।এর মধ্যে দেশে যে ভাবে শিক্ষার ক্ষেত্রে নকল মুক্ত করা হয়েছে । সে ভাবে মাদক,ঘোষ দুঃর্নীতিকেও মুক্ত করতে হবে। আজ যে ভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২০৬০ সালের মধ্যে দেশে আবাদ কৃত ফসলী জমি বাসা বাড়িতে পরিনত হবে। দরিদ্রতা আমাদের গ্রার্স করবে । তখন বিশ্ববাসী বলবে বাঙ্গালিদের দেখতে যদি তোমরা কেহ চাও বাংলাদেশে যাও । তা হলে এখন থেকে আমাদের যে নতুন প্রজন্ম দুনিয়াতে আসবে সে যেন বলতে না পারে। মা, বাবা আমাদের কেন জন্ম দিয়ে ছিলেন ? আমাদের কি অপরাদ ছিল। আজ আমাদের বড় শিক্ষা হল। আমাদের হাওড় তলিয়ে ও বন্যায় যে পরিমান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি এটাও আমাদের একটা বড় শিক্ষা এবং আমাদের ছোখের সামনে মায়ানমারের রোহিঙ্গারা। কি কষ্টের মধ্যে তারা দিনাতি পাত করিতেছে। সেই চিন্তা চেতনা নিয়ে আমাদের সকলের একটি সুখি ও সমবৃদ্বশীল দেশ গড়তে হবে। এই জন্য প্রয়োজন আগামী ৫০০বছরের আগাম চিন্তা। এই সুবাধে বিয়ের আগে পৌর সভার মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর কার্যালয়ে এসে ছেলে ও মেয়ের চুক্তি বদ্ধ হতে হবে একটি সন্তানের বেশি নয়। দুটির জন্য পরবর্তীতে কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।মনে রাখবেন সংসারে যদি অভাব থাকে তা হলে স্বামী স্ত্রী, মাতা পিতার সঙ্গে ঝগড়া লেগেই থাকে এমন কি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।