গাজীপুরে স্বাগতম আবাসিক হোটেল মালিক মিজান ম্যানেজার পরিচয়ে জমজমাট পতিতা ব্যবসা দেখার কেউ নেই, নিরব প্রশাসন!

আপডেটঃ ১১:০৪ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২২, ২০১৫

মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক ঃ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার টঙ্গী থানা আওতাধীন ঢাকা ময়মনসিংহ মহা সড়ক সংলগ্ন টঙ্গী বাজার বাস ষ্ট্যান্ড হইতে মিতালী পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পাশে অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে রমরমা পরিবেশে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের পতিতা ব্যবসা। স্বাগতম আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন যাবৎ দশ থেকে পনের জন সুন্দরী রূপসী নর্তকী রিজার্ব রেখে অত্যন্ত দাপটের সহিত চালিয়ে যাচ্ছে হোটেল মালিক তাদের দেহ ব্যবসা।
হোটেল কর্তৃপক্ষ খদ্দের সংগ্রহের জন্য ও তাদের হোটেলে অবস্থানরত পতিতা মেয়েদের অর্থের যোগান দেওয়ার স্বার্থে টঙ্গী বাজার, আব্দুল্লাহপুর, ষ্টেশনরোডের ফুটওভার ব্রীজসহ টঙ্গী এলাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানার গেইটে সকাল বিকাল স্বাগতম আবাসিক হোটেলের দৈনিক হাজিরা ভাতায় কর্মরত অপ্রাপ্ত ও প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদের দিয়ে প্রকাশ্যে খদ্দের সংগ্রহ করছে। ভিজিটিং কার্ডে লেখা হয়েছে এখানে এসি/নন এসি ও মনোরম পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে হোটেল মালিক মোঃ আব্দুর রহিম এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া যায় নাই । এ ব্যাপারে স্বাগতম হোটেলে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত ম্যানেজার আব্দুল আহাদ খাদেম ও ম্যানেজার মিজানের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা বলেন ব্যবসায় সকল দায়-দায়িত্ব আমাদের উপর, আমরাই সব কিছু ম্যানেজ করি। মালিক মোঃ মিজান এর সাথে আলাপ চারিতায় তিনি বলেন আমি ম্যানেজার, মালিক মো আব্দুর রহিম মাঝে মধ্যে এসে হিসাব নিকাশ নিয়ে চলে যান। স্বাগতম হোটেলের ভিতরে অবস্থান করেন খুবই কম সময়। হোটেল মালিক এর নির্দেশ অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের পুলিশ সদস্যদেরকেও গ্লাস ফিটিং দরজার ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। সংরক্ষিত এই রুমটি তাদের মেকাপ রুম বলে জানা যায়। উক্ত রুমটির মধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সুন্দরী রুপসীদের বিশ্রামাগার। ঐতিহ্যবাহী ব্যস্ততম টঙ্গী বাজার বাস ষ্ট্যান্ড এলাকায় মনোরম পরিবেশে পতিতা ব্যবসার প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও বাজার কমিটি দফায় দফায় আলোচনা করেও তার কোন কিনার মিলেনি। এতে করে অত্র এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক ব্যবসায়ী বলেন আমরা এখানে ব্যবসা করছি দীর্ঘদিন যাবত, আমাদের অনেক নারী-পুরুষ গ্রাহক রয়েছে। স্বাগতম আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে, বিষয়টি অনেকেরই জানা। তাই স্বাগতম আবাসিক হোটেল এলাকার দোকানপাট গুলিতে নারী ক্রেতা অনেকাংশেই কমে গিয়েছে। এতে করে ভোক্ত ভুগী হচ্ছি আমরা ব্যবসায়ীরা। তাই এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এর নিকট মৌখিক আলোচনা করার পরও তারা কোন কর্ণপাত করেনি। এলাকা সূত্রে আরোও জানা যায় অন্যান্য হোটেলের চেয়ে সম্পূন্ন আলাদা স্বাগতম আবাসিক হোটেল। সব সময়ই যুবক যোবতীদের ভীড় নিচ থেকে উপর পর্যন্ত লেগেই আছে। বিষয়টি নিয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষ নিষেধ করার পরও দাবরিয়ে বেরাচ্ছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। স্বাগতম হোটেলের নিচে চতুর্পাশে মার্কেটে মহিলা ক্রেতাদের আনাগোনা ও কেনাকাটার বিষয়ে এ গলিতে একেবারেই বন্ধ বলা চলে। কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, স্বাগতম হোটেলের পাশ দিয়ে হাটতে গেলেও মহিলাদের দিকে মানুষ চেয়ে থাকে। নানা সংকোচে এ গলিতে মহিলা ক্রেতা তেমন একটা ঢুকতে দেখা যায় নাই। তাই এলাকাবাসী জানতে চায় স্বাগতম হোটেল নামে পতিতালয় মালিকের খুটির জোড় কোথায় ? সেই সাথে স্থানীয় প্রশাসনের সু-দৃষ্টি ও গোয়েন্দা বিভাগ, র‌্যাবসহ ভ্রাম্যমান আদালতের হস্তক্ষেপ কামনায় স্বাগতম আবাসিক হোটেল বন্ধের জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।