পরকীয়ার প্রধান কারণ…

আপডেটঃ ৩:৫১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৮, ২০১৫

ডেস্ক:

দু’জনেই চাকরি করেন। দিনশেষে বাসায় ফিরলেও আপনাদের মধ্যে মিল নেই। এসব নিয়ে কথা বলতে গেলেই শুরু হয়ে যায় তুমুল ঝগড়া। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন, আপনার লাইফ পার্টনার অন্যজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়া আপনার জীবন যেমন বিষিয়ে তুলছে, তেমনি তা কেড়ে নিচ্ছে হাজারো সুন্দর সম্পর্ক। কখনো কী ভেবে দেখেছেন মানুষ কেন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ায়? এবিষয়েই হাপিংটন পোস্ট ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি খবর ছেপেছে। সেখানে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোয় কয়েকটি কারণ দেখানো হয়েছে। এটি লিখেছেন নিসছেলা মার্থি কৌশিক। এখানে তিনি পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানোর জন্য নয়টি কারণকে দায়ী করেছেন। সেগুলো হলো-পরকীয়ায় জড়ানোর প্রধান নয়টি কারণ

১. যেসব মানুষের অল্প বয়সে বিয়ে হয়, যেমন যে ব্যক্তির ২০ বছর বয়সে বিয়ে হয়েছে, ধীরে ধীরে তার মধ্যে মনোগত পরিপক্কতা আসে। ৩০ বছর বয়সে এসে তিনি মনে করতে পারেন যে অল্প বয়সে বিয়ে করে তার লাইফ উপভোগ করতে পারেননি। এই অবস্থায় তিনি কোনো নতুন মানুষের প্রেমে পড়তে পাড়েন, সম্পর্কে জড়াতে পারেন।

২. এখনো বিয়ে হচ্ছে না তোমার? এই ধরনের বাক্য বিবাহিতরা তাদের ব্যাচেলর লাইফে কমবেশি শুনেছেন। অনেক সময় সমাজের মানুষ এবং পরিবারের চাপে অপছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে বাধ্য হন অনেকে। কিংবা যাকে বিয়ে করছেন তার সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতে পারেন না। এতে অন্যের পছন্দে যখন বিয়ে করতে হয়, তখন সাংসারিক জীবন খুব ভালো যায় না। এই কারণেও মানুষ তার পছন্দের মানুষের সাথে পরকীয়ায় জড়ায়।

৩. দম্পতিদের মধ্যে সবসময় ভালো সময় যাবে, তা কিন্তু নয়। এই যান্ত্রিক জীবনে টাকা-পয়সা লোকসান, চাকরি হারানো, অসুস্থ হওয়া ইত্যাদি নানা কারণে একজন অন্যজনকে ভালো সাপোর্ট নাও দিতে পারেন। আর এই সমস্যা চলতে থাকলে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে।

৪. একজন নারীর যখন মা হওয়ায় সময় হয়, তখন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। তখন স্বামী-স্ত্রীর প্রায়োরিটির বিষয়গুলোতেও পরিবর্তন আসে। নতুন মা হওয়ার প্রাক্কালে তখন স্ত্রী নিজেকে কিছুটা আলাদা সময় দেন, তাতে স্বামী নিজেকে একা ভাবতে পারেন। অথবা মা হওয়ার সময় স্ত্রীকে যথেষ্ট সময় বা সহযোগিতা না করায় তিনি নিজেকে বিচ্ছিন্ন কিছু ভাবতে পারেন। আর তা পরকীয়ার সূত্রপাত করতে পারে।

৫. জৈবিক চাহিদা পূরণ না হলে স্বামী কিংবা স্ত্রী, যেকেউ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়াতে পারেন।

৬. এই যান্ত্রিক জীবনে স্বামী-স্ত্রী একটু আলাদাভাবে নিজেদের সমস্যাগুলো বুঝবে এবং জানবে। কিন্তু সে সময় কোথায়? যখন উভয়ের মাঝে যথেষ্ট যোগাযোগ থাকছে না তখন অন্য কেউ এসে এই জায়গা দখল করে নিতে পারে।

৭. নিজেদের ইচ্ছা অনুভূতিতে বেশি পরিমাণ পার্থক্য থাকা এবং মানিয়ে নিতে না পারলে পরকীয়ার সম্পর্ক আসতে পারে।

৮. বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে যেকেউ জড়াতে পারেন, যখন স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোনো কমন ইন্টারেস্ট থাকবে না।

৯. বস’কে সময় দিলে প্রমোশন হবে, ক্যারিয়ারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে। এই ভাবনা থেকেও মানুষ পরকীয়ায় জড়ায়।