রোহিঙ্গা নির্মম নির্যাতন ও গণহত্যার জোরালো প্রমাণ

আপডেটঃ ২:২০ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৮, ২০১৫

ডেস্ক:

সেই ১৯৬২ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিক বঞ্চনার শুরু। সে বছর জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার পর রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।

ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।

আর সরকারী বাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নিধন তো চলছেই। বিভিন্ন সময় দাঙ্গায় বহু রোহিঙ্গাকে পুড়িয়ে মারারও অভিযাগ আছে। কিন্তু বরারবরই মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গাদের উপর কোন ধরণের নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে অাসছে। কিন্তু এবার আল জাজিরার অনুসন্ধানী দলের অনুসন্ধানে রোহিঙ্গাদের উপর নির্মম নির্যাতন ও গণহত্যার চালানোর ‘স্পষ্ট প্রমাণ’ পাওয়া গেছে।

প্রায় ৮ মাস ধরে আল জাজিরার তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ইয়েল ইউনিভার্সিটি অব ল’ স্কুল নিশ্চিত হয়েছে যে, রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানো হয়েছে। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের লয়েনস্টেইন ক্লিনিক মিয়ানমারের ওপর দীর্ঘ আট মাস ধরে গবেষণা চালানোর পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।